এমনও দিন গেছে, না খেয়ে কাঁদতে কাঁদতে ঘুমিয়ে পড়তাম: মিঠুন চক্রবর্তী
বার্তাসেন্টার সংবাদদাতা
সোমবার, ১৪ নভেম্বর ২০২২, ২১:১৫গায়ের রং নিয়ে কটাক্ষ শুনতে হয়েছে অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীকে। এমনকী রাতে এই নিয়ে চোখের জলও ফেলতেন তিনি, সম্প্রতি এমন কথাই বলতে শোনা গেল এই বাঙালি অভিনেতাকে। মিঠুন সম্প্রতি হাজির হয়েছিলেন সারেগামাপা লিটল চ্যাম্পস-এ। ডিস্কো কিং স্পেশাল এপিসোডে তিনি এসেছিলেন সঙ্গে পদ্মিনী কোলাপুরে।

মিঠুন চক্রবর্তী বলেন, আমি কখনও চাই না কেউ সেরকম সময়ের মধ্যে দিয়ে যাই যেরকমটা আমাকে যেতে হয়েছে। অনেকেই নানা ধরনের স্ট্রাগলের মুখে পড়ে, তবে আমাকে তো সবসময় আমার গায়ের রং নিয়ে কটাক্ষ করা হত। অনেক বছর এই অপমান আমাকে সহ্য করতে হয়েছে। এমনও দিন গিয়েছে যখন আমি খালি পেটে শুতে গিয়েছি। কাঁদতে কাঁদতে ঘুমিয়ে পড়তাম। এরকমও দিন গেছে যখন আমাকে ভাবতে হয়েছে পরের মিলে আমি আদৌ খাবার পাব তো? একাধিক দিন তো ফুটপাথে ঘুমিয়েছি।
আরও পড়ুন: পরীমনির অভিযোগের বিষয়ে এবার মুখ খুললেন শরিফুল রাজ।
মিঠুন বলেন, এই কারণেই আমি চাই না কখনও আমার বায়োপিক বানানো হোক। কারণ আমার গল্প কখনোই কাউকে অনুপ্রেরণা যোগাবে না। বরং তাঁদের মন ভেঙে দেবে। লোককে নিজেদের স্বপ্ন পূরণের পথে এগোতে ভয় পাওয়াবে। আমি চাই না এটা ঘটুক। আমি যদি করতে পারি, তাহলে অন্যরাও পারবে। নিজেকে ইন্ডাস্ট্রিতে প্রমাণ করতে অনেক স্ট্রাগল করেছি। আমি হিট ছবি দিয়েছি বলে লেজেন্ড নই, বরং নিজেকে লেজেন্ড ভাবি কারণ অতিক্রান্ত করেছি আমি সমস্ত কষ্ট আর জীবনসংগ্রাম।
১৯৭৬ সালে মৃগয়া দিয়ে বলি ডেবিউ করেন মিঠুন, আর প্রথম ছবির জন্যই পান জাতীয় পুরষ্কার। আশি আর নব্বইয়ের দশকের মাঝে একাধিক হিট সিনেমা দিয়েছেন যেমন ডিস্কো ডান্সার, ওয়ার্ডাট, বক্সার, অগ্নিপথ। চলতি বছরেই তাকে শেষ দেখা গিয়েছে ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’ ছবিতে।
সূত্র: হিন্দুস্থান টাইমস।








Comments